এই প্রথমবার তিনটি এনার্কো-সিন্ডিক্যালিস্ট বই বাংলাদেশে বাংলা ভাষায় প্রকাশিত হলোঃ

-এই প্রথমবার তিনটি এনার্কো-সিন্ডিক্যালিস্ট বই বাংলাদেশে বাংলা ভাষায় প্রকাশিত হলোঃ

-This is the first time that three anchor-syndicalist books are published in Bengali language in Bangladesh:

রুডলফ রকারের অ্যানার্কো-সিন্ডিক্যালিজম বইয়ের প্রকাশনায়

নোয়াম চমস্কির ভাষ্যঃ

রুডলফ রকারের অ্যানার্কো-সিন্ডিক্যালিজম বইয়ের প্রকাশনার সূদির্ঘ কাল পর যখন স্বাধীনতা ও ন্যায় বিচারের সংকট চলছে তখন এই বিষয়ে কথা বলা অনেক  গুরত্ববহ। আমি ব্যাক্তিগত ভাবে, দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্বের পর থেকে রকারে প্রকাশিত বই  পুস্তকের সাথে পরিচিত হই, সেটা ছিলো প্রথমে নিউইয়র্ক শহরের এনার্কিস্ট বইয়ের দোকানে, এর কয়েক বছর পরে বিশ্ব বিদ্যালয়ের ধুলি মলিন বইয়ের তাকে পাই অপরিচিত ও অপঠিত অবস্থায় পড়ে থাকা বইয়ের স্তূপে। তার বই গুলো পড়ে সত্যি খুব আলোরিত হই, যা আমাকে কয়েক দশক পিছনে নিয়ে যায়। আমি বুঝতে পারি রকার একটি সুন্দর ও শান্তিময় দুনিয়ার কথা বলেছেন, যা অর্জন করা আমাদের জন্য কঠিন নয়, তা আমাদের আয়ত্তের মধ্যই আছে। ‘বিশ্ব যে দুর্যোগের’ দিকে ‘ পাল তুলা নৌকার মত দ্রুত’ এগিয়ে যাচ্ছে তা তিনি দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্বের সূচনাতেই দেখতে পেয়েছিলেন। যে দুর্যোগ সৃষ্টি হয়েছে তা নিয়ন্ত্রন করা  সাধারন মানুষের সাধ্যের বাইরে, রাস্ট্র সমূহ যে ক্ষমতা অর্জন করেছে- তা মানব সমাজকে বিলয় ঘটিয়ে দিতে সক্ষম, প্রচলিত বিধি বিধানের ব্যাতিক্রম হলেই ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। রকার প্রচলিত রাজনৈতিক ও সামাজিক বিধি বিধানের বিপরীতে নিজের অবস্থান ব্যাক্ত করেছিলেন।  তিনি প্রচলিত প্রবণতা সমূহকে সাহসীকতার সাথে ব্যাখ্যা করেছেন, যে সকল প্রবনতা মানুষের আত্মনির্ভরশীল মানসিকতাকে বিনাশ করে দেয়। মাইকেল বাকুনিনের ভাষ্য মতে, ‘ নয়া সমাজের জীবন্ত জীবাণু সৃজন’ করে, মানুষের ভ্রমাত্মক চিন্তার অপসারণ করা দরকার, যারা ভাবেন মানুষের মুক্তির পথ আসে উপর থেকে – তাঁদের নিজস্ব সৃজনশীল কর্ম বা একাগ্রতা থেকে নয়। প্রচলিত প্রভাবশালী চিন্তাধারার আলোকে বোধগম্য করে জনগণের জন্য লক্ষ্য স্থির করা দরকার। এখন বলতেই হবে যে, তথাকতিথ সমাজতান্ত্রিক সমাজ গুলো মনুষ্য বসবাসের উপযোগী নয় বা মার্কসবাদি-লেনিনবাদি আন্দোলন গুলো ও মুক্তির পথ নয়। শিল্প ভিত্তিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় অভিজাত শ্রেনীর মাঝেও একেই রকমের চিন্তাধারা গেঁড়ে বসেছে, তাঁদের নিজস্ব রাজনীতি যাই হউক কেন, তাঁরা এখন তা স্পস্টভাবেই জনসমক্ষে প্রকাশ করে যাচ্ছেন। জনগনের জন্য যেখানেই যে কোন সিদ্বান্ত গ্রহন করা হোক না কেন, তা তাঁরা সংশোধনের ও ব্যবস্থা রাখে, নিজেদের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে ও এরা সরাসরি না এসে ভিন্ন ভাবে হাজির হয়। রকার জোয়ান ভ্রাভো মেরিলো র কথা উল্লেখ করে বলেন, সকল কথা বার্তা বুঝা না গেলেও (পৃ-১১৮) এটা পরিস্কার যে অভিজাত শ্রেনীর স্বার্থ ও চিন্তা ভাবনাই সকল ক্ষেত্রে ধারন করা হয়। রকারের স্পস্ট কথা সাধারন মানুষ নিজেই নিজের জীবনের দায়িত্ব নিবে, তাঁদের কাজ তারাই করবেন, এবং তাঁদের হাতেই তাঁরা সকল কর্ম সম্পাদনের জন্য প্রস্তুত থাকবেন। তাঁদের নিজেদের  মুক্তির লড়াই সংগ্রামে ও তাঁরা সাধারন জনগণের সম্মিলিত অংশগ্রহনে সাফল্য অর্জন করবেন। অধীনস্থদেরকে আনুগত্যের মধ্যে রাখার জন্য প্রতিস্টানিক ভাবে দমন ও নিপিড়নের পথ বেচে নেয়া হয়। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করেই মানুষ মানবিক নৈতিক মান অধিকতর উন্নত করবে, ‘ অধিকার আদায়ের একটি নয়াপথ,’ তাঁদের শক্তি সামর্থ নিয়ে নয়া চেতনার বিকাশ ঘটাবে। তাঁদের সময়ের সামাজিক ঘটনা প্রবাহ তাঁরা বুঝে নিবেন’, তাঁদের নিজস্ব ক্ষমতা  ও গুরুত্ব উপলব্দি করে কাজ করবেন। এই ধরনের সরাসরি সামাজিক পরিবর্তনের কাজে অংশগ্রহণ হবে তাঁদের ‘হ্রদয়ের গভীরতম’ অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ। রকার শ্রমজীবী মানুষের লড়াই সংগ্রামের ধারনাকে গভীর ভাবে পর্যবেক্ষন করে এবং তাঁদের অর্জন সমূহকে আলোকিত করে প্রকাশ করেছেন। তাঁর কর্মের ধারা একেবারেই ‘কল্পনা বিলাশী’ নয়; বা রূপকল্প ও নয়, বরং বাস্তব সম্মত কার্যক্রম, তিনি অতীতের সকল বিষয়াবলী বিশ্লেষণ করে ব্যার্থতা ও সাফল্য সকলের সামনে হাজির করেছেন । অন্যান্য সাহসী নিরাজবাদিদের মত, রকার ও ‘ সকল নিরঙ্কুশ ধারনা ও প্রকল্পকে বাতিল করে দিয়েছেন’ এবং দৃঢ় মন্তব্যে বলেছেন, ‘আমরা মানবজাতির উন্নয়নের কোন চূড়ান্ত লক্ষ্য স্থির করতে চাই না’। তবে একটা ধারনা দিতে পারি যে, ‘ তা হবে সিমাহীন শান্তি, সামাজিক সংহতি এবং চমৎকার বসবাস যোগ্য পরিবেশ, যা ক্রমশ ধাপে ধাপে উচ্চতর স্থরে উন্নিত হবে, যার ভিত্তি হবে নয়া ধরনের পারস্পরিক বুঝা পড়া, ও নয়া উপলব্দি’। ইতিহাস আমাদেরকে শিক্ষা দেয় যে, আমরা প্রায়স আমাদের উপর শোষণের বিষয়ে নির্লিপ্ত থেকে যাই, আমরা নিপিড়নের শিকার হয়ে ও কোন কোন সময় নিপিড়কদের সাথে বুঝে না বুঝে গলা মিলিয়ে কথা বলে ফেলি বা তাঁদের হয়েই কাজ করে যাই। রকার তাঁর আপন বিশ্বাস ও উপলব্দি থেকে বলেছেন, সাধারন মানুষের নিজস্ব ক্ষমতা ভিত্তির উপর নির্ভর করে একটি নয়া বিশ্ব গড়ে তুলা এখন সময়ের দাবী। তাঁদের অংশগ্রহনে সাংস্কৃতি ও স্বাধীনতাকে উন্নততর করা দরকার। তাঁদের সরাসরি অংশগ্রহনে, সামাজিক চুক্তি, ন্যায় বিচার, সংহতি সমৃদ্ব হতে পারে। এই পুস্তকটি প্রায় অর্ধশতাব্দি আগে লিখা হলে ও এর গুরুত্ব আজো অক্ষুণ্ণ রয়েছে। নয়া দুনিয়া গড়ার ক্ষেত্রে আমাদের চিন্তাধারাকে শানিত করতে ও গঠন মূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে ব্যাপক ভূমিকা বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

Introduction of NOAM CHOMSKY on The publication of Rudolf Rocker's Anarcho-Syndicalism:

The publication of Rudolf Rocker's Anarcho-Syndicalism, after far too many years, is an event of much importance for people who are concerned with problems of liberty and justice. Speaking personally, I became acquainted with Rocker's publications in the early years of the Second World War, in anarchist book stores and offices in New York City, and came upon the present work on the dusty shelves of a university library, unknown and unread, a few years later. I found it an inspiration then, and have turned back to it many times in the years since. I felt at once, and still feel, that Rocker was pointing the way to a much better world, one that is within our grasp, one that may well be the only alternative to the 'universal catastrophe' towards which 'we are driving on under full sail', as he saw on the eve of the Second World War. This catastrophe will be beyond the limits he could then imagine, as states have acquired the capacity to obliterate human society, a capacity that they will exercise if the current social order evolves along its present paths. Rocker's vision stands in opposition to all of the dominant tendencies in modern social and political thought. As he recognised and explained with great darity, all of these tendencies destroy 'the impulse to self-help, by inoculating people with the ruinous delusion that salvation always comes from above', not from their own conscious understanding and constructive work in 'creating the living germs of the new society', in Bakunin's words. Dominant currents, understandably enough, aim at subordination of the public. It is unnecessary to dwell on the so-called 'socialist' states or the Marxist-Leninist movements. Within the industrial democracies, a similar conception is firmly rooted among elite groups, whatever their political persuasion, and is often quite clearly articulated. The role of the public is to ratify decisions taken elsewhere, to adopt the doctrines prepared for them by their superiors, and in general to observe passively while performing their duty. Not all would express.

Preface vii this understanding with the clarity of Juan Bravo Murillo, whom Rocker quotes (p. 118), but his words in fact capture prevailing elite conceptions, accurately if crudely. . In Rocker's radically different conception, people must take their lives and their work into their own hands. Only through their own struggle for liberation will ordinary people come to comprehend their true nature, suppressed and distorted within institutional structures designed to assure obedience and subordination. Only in this way will people develop more humane ethical standards, 'a .. new sense of right', 'the consciousness of their strength and their . importance as a social factor in the life of their time' and of their capacity to realise the strivings of their 'inmost nature'. Such direct engagement in the work of social reconstruction is a prerequisite for coming to perceive this 'inmost nature' and is the indispensable foundation upon which it can flourish. Rocker surveys the development of these ideas and the struggle to achieve them, and illuminates their fundamental significance. His approach is far from 'utopian'; this is not an abstract discourse, but a guide to action, draWing from the lessons of past failures and successes. Like other serious anarchists, Rocker 'rejects all absolute schemes and concepts' and appreciates that we can set no 'definite final goals for human development', but can only contemplate 'an unlimited perfectibility of social arrangements and human living conditions, which are always straining after higher forms of expression', based on new understanding, new insight. The lessons of history teach us a good deal, but nothing more clearly than the fact that we often remain quite unaware of the forms of oppression of which we are victims, or sometimes agents, until social struggle liberates our consciousness and understanding. Rocker expresses throughout his faith in the capacity of ordinary people to construct for themselves a world suited to their inner needs, to create and participate in an advancing culture of liberation in free communities, to discover through their own thought and engagement the institutional arrangements that can best satisfy their deeply rooted striving for freedom, justice, compassion and solidarity, at a particular historical moment. This vision remains as inspiring as when it was written a half century ago, and no less valid as a stimulus to our thinking and our constructive action.

ঈশ্বর ও রাষ্ট্র’- নামক বইটি মূলত কিছু চিটি পত্র ও প্রতিবেদনের সমাহার। বাকুনিনের অন্যান্য বই ও রচনা সমূহ এই ভাবেই প্রনিত হয়েছে। তাই, এতে ও কিছু সাহিত্যগত সমস্যা বা সিমাবদ্বতা রয়েছে, রয়েছে কিছু ভাগ বিভাজন ও বিন্যাসের সমস্যা; আর আছে ধারাবাহিকতা রক্ষার না করতে পারার অক্ষমতাঃ আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করেছি প্রতিটি বিষয়ের মৌলিকত্ব ও মুল সূত্র আবিস্কার করে তুলে ধরতে। বাকুনিনের নিকট কোন সময়ই সামগ্রীক কর্ম সম্পাদনের পর্যাপ্ত সময় ছিলনা । তিনি যখনই কোন কাজ প্রায় শেষ করে এনেছেন তখনই অন্য আর একটি কাজের সূচনা হয়ে যেত। যারা তাঁর লিখার সমালোচক তিনি তাদেরকে বলেছেন, এই গুলো “ আমার জীবন ও কিছু লিখার প্রয়াস”। যাই হোক, প্রাকশিত বাকুনিনের লিখা “ঈশ্বর ও রাষ্ট্র” বইটি পড়ে কোন পাঠক হতাশ হবার কোন কারন নেই। এতে যুক্তি সহকারে দার্শিনিক বিষয় সমূহ প্রাঞ্জলতার সাথে আলোচিত হয়েছে। তিনি তাঁর বিরুধীদের সামনে তাঁদের বিশ্বাসের অসারতা ও ঐশ্বরিক নির্দেশনার অকার্যকারিতা সুন্দর ভাবে পেশ করে দেখিয়েছেন। তিনি সকলের সামনে প্রমান করে দেখিয়েছেন যে সকল সরকারই মূলত মানব সৃষ্ট। তিনি ধারাবাহিক আলোচনার মাধ্যমে দেখিয়েছেন, সাধারন মানুষের ক্ষমতাকে যত খাট করে দেখানো হোক না কেন সত্যিকার ভাবে মানুষের শারিরিক শ্রেস্টত্ব, সহিংসতা, মহত্ব, সম্পদ ব্যবস্থাপনায় ক্ষমতাই অতুলনীয় । উদাহরন হিসাবে বলা যায় যে, ক্ষমতা করায়ত্ব করার জন্য যে নির্বাচনী ব্যবস্থা আবিস্কার করা হয়েছে তাতে ত্রুটি বিচ্যুতি থাকলে ও অন্য আর কি ব্যবস্থা আছে যা সরকারে জন্য অধিকতর জ্ঞানগত ও সততা সম্পন্ন ?

The present memoir, “God and the State,” is really a fragment of a letter or report. Composed in the same manner as most of Bakunin’s other writings, it has the same literary fault, lack of proportion; moreover it breaks off abruptly: we have searched in vain to discover the end of the manuscript. Bakunin never had the time necessary to finish all the tasks he undertook. One work was not completed when others were already under way. “My life itself is a fragment,” he said to those who criticized his writings. Nevertheless, the readers of “God and the State” certainly will not regret that Bakunin’s memoir, incomplete though it be, has been published. The questions discussed in it are treated decisively and with a singular vigor of logic. Rightly addressing himself only to his honest opponents, Bakunin demonstrates to them the emptiness of their belief in that divine authority on which all temporal authorities are founded; he proves to them the purely human genesis of all governments; finally, without stopping to discuss those bases of the State already condemned by public morality, such as physical superiority, violence, nobility, wealth, he does justice to the theory which would entrust science with the government of societies. Supposing even that it were possible to recognize, amid the conflict of rival ambitions and intrigues, who are the pretenders and who are the real savants, and that a method of election could be found which would not fail to lodge the power in the hands of those whose knowledge is authentic, what guarantee could they offer us of the wisdom and honesty of their government?

……পুঁজি কখনো “পিতৃভূমি” চিনে না । আমরা দেখতে পাচ্ছি বড় বড় ট্রাষ্ট সমূহ রাস্ট্রীয় আইনের আওতায় আবদ্ব। সকল সংস্থার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য আসলে অভিন্ন। তাদের লক্ষ্য দুনিয়ার উপর প্রভূত্ব কায়েম করা । তাদের মধ্যে ও সেই জন্য পারস্পরিক প্রতিযগীতা বিদ্যমান আছে । আর সেই জন্যই পুঁজিবাদী সমিতি সমূহ বাজারের দখল নেবার জন্য মরিয়া হয়ে প্রচেস্টায় লিপ্ত রয়েছে । বিভিন্ন দেশের এই মরিয়া চেস্টার ফল হিসাবে কোন কোন সময় আমরা “সশস্ত্র শান্তি”র মহড়া দেখতে পাই, তবে প্রায়স তা যুদ্বে রূপ নেয় । ১৯১৪-১৯১৮ সালে এই রকমের একটি লড়াই আমরা দেখেছি । সাম্রাজ্যবাদি যুদ্ব দুনিয়াকে অসাম্য করে তোলে, বিজয়ী ও বিজেতা হিসাবে যেমন বিভক্তি রেখা টেনে দেয় তেমনি প্রলেতারিয়েত ও দরিদ্র কৃষকদের জন্য জীবন দুর্বিসহ করে তোলে । সাম্রাজ্যবাদ হলো সকল যুদ্বের উৎস। এটা স্পষ্ট করেই বলে দেয়া যায় যে, যতদিন পুঁজিবাদ থাকবে ততদিন যুদ্ব ও দুনিয়াময় বিরাজমান থাকবে ……

…..Capital knows no fatherland. In our own days gigantic trusts have enveloped a number of States. All these associations have one and the same purpose -- the domination of the world -- and they find themselves in deadly conflict with each other. Such a condition of capitalist society brings forth a bitter struggle for markets. This struggle keeps the countries in a state of "armed peace", periodically turning into war, as it did in 1914-18. This Imperialist war resulted in an unequal division of the world among the victors, and has brought about a new and more intense rivalry which will inevitably lead to a second and even more terrifying world war at the expense of the proletariat and the peasantry. Imperialism is the source of war, and humanity will suffer from wars as long as Capitalism exists….

0 Comments 0 Comments
0 Comments 0 Comments